“না থাকার চেয়ে থেকে না থাকাটা অনেক কষ্টে”
থাকে
পাশে,
তবু
থাকে
না
— এ
কেমন
থাকা?
নীরবতার চাদরে
ঢাকা,
ভালোবাসাহীন ভালোবাসা।
চোখে
চোখ
পড়ে,
কিন্তু
মন
খুঁজে
না
আশ্রয়,
শুধু
অভিনয়ের আবরণে
গুমরে
ওঠে
স্বপ্নসয়।
ঘরে
সবাই,
তবু
ঘর
যেন
শ্মশানের মতো
নিঃস্তব্ধ,
কথা
হয়,
তবু
সেই
কথাগুলো লাগে
শুধুই
কঠিন
শব্দ।
থাকলে
যদি
স্পর্শ
না
পাই,
যদি
না
পাই
আপন
নাম,
তবে
সে
থাকা
কিসের?
যেন
কাঁটার
তলায়
ঘুমের
দাম।
একাকী
থাকা
সহজ,
জানি—
কিন্তু
চারপাশে ভীড়েও
যদি
কেউ
না
থাকে,
ওটাই
তো
সবচেয়ে
বড়
হানি।
যার
মা
আছে,
ডাকে
না;
যার
ভাই
আছে,
ভাবে
না;
যার
সমাজ
আছে,
দেখে
কেবল
দামি
জামা।
এই
থেকেও
না
থাকা—বুকে পাথরের ভার,
জীবনটা
তখন
হয়ে
ওঠে
এক
বোবা
হাহাকার।
জানালার ধারে
দাঁড়িয়ে দেখি,
আকাশ
আছে—তবু রোদ নেই,
বাতাস
বয়—তবু মন সিক্ত
হয়
না
বৃষ্টি-জলে লিখি।
জীবনের
কাছে
তখন
প্রশ্ন
জাগে,
“এই
থাকা
কি
উপহার,
না
এক
চিরস্থায়ী জ্বালা
রাগে?”
তাই
বলি,
না
থাকার
চেয়ে
থেকে
না
থাকাটাই কষ্টে
ভরা,
হৃদয়ে
জমা
অভিমান,
ভালোবাসার দীর্ঘ
বেহিসেবি ধরা।